ইভেন্ট
বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মাগুরা প্রতিনিধি:
“বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাগুরা সদর উপজেলার বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শতাধিক কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে তিন শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ের সভাপতি প্রকৌশলী মো. মনজুরুল কবীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ড. আনিসুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য কুতুব উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল, মাগুরা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক এবং চাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পল্লব কুমার দে। বক্তারা কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজ গঠনে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয় ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্বীকৃতি লাভ করে।
তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার প্রসার ও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে দ্রুত বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়কে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানান।
কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান এবং বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজনদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।